নোটিশ :
আমাদের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম... টিমি থিম, নিউজ পেপার থিম, ই-কমার্স থিম, কর্পোরেট থিম, স্কুল কলেজের থিমস কিনতে ভিজিট করুন www.themeneed.com  Themeneed.Com, Office :41/ Compact Bayazid square, Bayazid Bostami Rd, Nasirabad, Chaittagong, Mobile : 01310095939, 01859124823 Email : support@themeneed.com
সংবাদ শিরোনাম:
হঠাৎ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকশ’ নেতাকর্মীর ঝটিকা মিছিল চট্টগ্রামে হোটেল থেকে স্বামী -স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ফটিকছড়িতে বাবা-ছেলের মৃত্যু বিআরটিসি বাসে আগুন যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প ভাংচুর/ চার ভাগে ভাগ হয়ে জঙ্গল আলীনগরে ইয়াছিন বাহিনীর তান্ডবলীলা চট্টগ্রামে প্রেমের বিরোধ/ হাসপাতালের ছাদ থেকে ফেলে তরুণী খুন করে প্রেমিক চট্টগ্রামে ধর্ষণচেস্টায় মাদ্রাসা শিক্ষকসহ দুই আসামি কারাগারে চট্টগ্রামে লিফর্টের গর্তে মিলল ব্যবসায়ীর লাশ চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের দুই সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার এক যুগ পর সরাসরি ভোট চিটাগাং চেম্বারে
বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে: তারেক রহমান

বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে: তারেক রহমান

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেস প্রতিনিধি:
বিএনপিই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে বলে মন্তব্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তিনি বলেন, ‘অনেরা ক্যান আছেন (আপনারা কেমন আছেন)? তারেক রহমান বলেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারের সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে। আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র ঠেকাতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ঘরে তাহাজ্জুদের নামাজ শেষে স্ব স্ব ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বারবার করে ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন।
দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। পলোগ্রাউন্ডসহ আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক মানুষকে তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় ‘অনরা ক্যান আছেন?’ (আপনি কেমন আছেন) বলে বক্তব্য শুরু করেন। জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ফের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর যেভাবে আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সেরকম একটি ষড়যন্ত্র ফের শুরু হয়েছে। আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান, সেই ষড়যন্ত্রের প্রতি সজাগ থাকবেন, সতর্ক থাকবেন, যাতে আপনাদের অধিকার কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে। আপনাদের ভোটের অধিকার, আপনাদের কথা বলার অধিকার, আপনাদের বেঁচে থাকার অধিকার যেন আর কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে।’ কখন যাবেন ভোট দিতে? নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিন, এবার কিন্তু ফজরে গেলে হবে না, এবার তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার জন্য উঠতে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে যার যে ভোটকেন্দ্র, সেই ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন। তারপর লাইন দিয়ে ভোটের জন্য দাঁড়িয়ে যাবেন। পারবেন? ইনশাল্লাহ।’
বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশকে নিয়ে আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের দুটো বিষয়ে নজর দিতে হবে। অতীতে বিএনপি যতবার সরকার পরিচালনা করেছে, বিএনপি প্রমাণ করে দেখিয়েছে, একমাত্র বিএনপিই এই দুটো কাজ সফলভাবে করতে পারে। কি সেই বিষয় দুটো? এক. মানুষের নিরাপত্তা, যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি সব করতে পারে। বিগত সময় যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনা করেছিলেন, তখন আপনারা দেখেছিলেন, যে-ই হোক না কেন, এমনকি আমাদের দলের অনেক লোক, যারা কোনো অনৈতিক কাজে জড়িত হলে তাদেরও কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি।’
দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘আরেকটি বিষয় আছে, আমরা যতই পরিকল্পনা করি, সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কোনো পরিকল্পনা সফল হবে না। বিএনপি অতীতে সেই বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে প্রমাণ করেছে যে একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব। সেই বিষয় হচ্ছে দুর্নীতি। যে কোনোমূল্যে আগামীর বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে। এই দুটি হচ্ছে আমাদের কমিটমেন্ট বাংলাদেশের জনগণের কাছে।’কারণ বিএনপি সরকার অতীতেও এটা প্রমাণ করেছে। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যারা দেশে ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশকে দুর্নীতিতে নিচের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। ২০০১ সালে যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপনাদের সমর্থনে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পান, তিনি তখন দেশকে ধীরে ধীরে দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের করে নিয়ে আসেন।’
অপরাধীর কোনো দল নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে আইন সবার জন্য সমান। অপরাধীর পরিচয় কোনো দল দিয়ে নয়। অপরাধী যে-ই হোক, আইনের দৃষ্টিতে সে অপরাধী। সুতরাং অপরাধী যে-ই হোক, দেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতি যে-ই করুক, যারা-ই করুক, তাদের বিরুদ্ধেও দেশের আইন একইভাবে প্রযোজ্য হবে। পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, আমরা যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বা দুর্নীতির মাধ্যমে সেটাকে বাধাগ্রস্ত করেন, তাদের কোনো ছাড় আমরা দেব না ইনশাল্লাহ।’
সকল মানুষকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘এই সেই চট্টগ্রাম, যেখানে সমতল এবং পাহাড়ের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করেন। আমরা চাই সমতল এবং পাহাড়ের মানুষ, আন্দোলনের সময় আমরা দেখিনি কে সমতলের মানুষ আর কে পাহাড়ের মানুষ, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি, কে সমতলের মানুষ আর কে পাহাড়ের মানুষ। আমরা চাই, সকলকে নিয়ে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য, সে পাহাড়ের মানুষ হোক, সে সমতলের মানুষ হোক, সে ইসলাম ধর্মের মানুষ হোক, সে অন্য ধর্মের মানুষ হোক। আমরা সকলকে নিয়ে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।’
‘সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ যদি গড়ে তুলতে হয়, এখানে যে লাখো মানুষ উপস্থিত আছেন, আপনাদের মাধ্যমে আপনাদের এলাকার লাখো-কোটি মানুষের কাছে আমি আবেদন রাখাব, গণতন্ত্রে যারা বিশ্বাস করেন, মানুষের বাকস্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করেন, সকলকে আমি আহ্বান জানাব, ধানের শীষের ওপর আস্থা রাখুন, বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। বিএনপি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজে হাত দেবে ইনশাল্লাহ অতীতের মতো।’ তিনি বলেন, ‘আজ সময় এসেছে পরির্তনের। এই পরিবর্তনকে যদি সত্যিকার অর্থে অর্থবহ করতে হয়, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন যদি করতে হয়, তাহলে আমাদের সবাইকে আজ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের বাংলাদেশকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তাহলে গণতন্ত্রের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যে কারণে ওয়াসিম আকরামরা জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাদের জীবন আর ত্যাগের যদি মূল্য দিতে হয়, তাহলে মানুষের যে প্রত্যাশা সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। সেজন্যই বলছি, ধানের শীষের ওপর আস্থা রাখুন, বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন।’
ক্ষমতায় গেলে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি আছে। বিএনপি এর উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। এই উদ্যোগে সমগ্র চট্টগ্রামসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হবে। কী সেটি, বাণিজ্যিক রাজধানী। ইনশাল্লাহ, বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে খালেদা জিয়ার সেই উদ্যোগ আগামী বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করবে।’ ‘বিএনপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সরকারে গেলে আমরা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করব। তার আগে আপনাদের একটি দায়িত্ব আছে, বিএনপিকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে, তাহলেই আমরা পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারব।’
প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে সমালোচনায় অনাগ্রহ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল যারাই হোক না কেন, তাদের সম্পর্কে অনেক কথাই বলতে পারি, দোষত্রুটি তুলে ধরতে পারি; তাতে কি জনগণের কোনো উপকার হবে? সমালোচনায় দেশের মানুষের পেট ভরবে না। বিএনপিই একমাত্র দল যারা ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি দেশে ফিরেই বলেছিলাম, উই হ্যাভ এ প্ল্যান। অর্থাৎ, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষেকে নিয়ে। কোটি কোটি যুবসমাজ কর্মসংস্থান চায়। আপনাদের রায়ে ১২ তারিখের ভোটে সরকার গঠনে সক্ষম হলে প্রাইমারিসহ শিক্ষার সব স্তরে পরিবর্তন আনতে চাই। যাতে তরুণ সমাজ শুধু সার্টিফিকেট পাবে না, জীবন শেষে কর্মসংস্থান যাতে সহজেই করে নিতে পারে।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা বলতে পারি অমুক জায়গায় এত বেডের হাসপাতাল করব। আমরা তা বলতে চাই না। আমরা চাই গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে। এ জন্য আমরা এক লাখ হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ দেব। যাতে ঘরে বসে সেবা পাওয়া যায়।’ খাল কাটা কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ সারাদেশে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা। সারা বাংলাদেশে খাল-বিল-নদী-নালা বন্ধ হয়ে গেছে। সমগ্র বাংলাদেশে আমরা খালকাটা কর্মসূচি চালু করতে চাই। ইনশাল্লাহ সকলে কাঁধে কোদাল নিয়ে খাল কাটা শুরু করব।’ তিনি বলেন, ‘১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের রায়ে নির্বাচিত হলে আমরা ইপিজেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করব। যাতে লাখ লাখ তরুণ চাকরি পায়।’ ‘কথা একটাই, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ – এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
এরপর তারেক রহমান চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার ২৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা এবং ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা বক্তব্য দেন। মাবেশে উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, উদয় কুমার বড়ুয়া, সাঈদ আল নোমান, মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, সরোয়ার জামাল নিজাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী, সুকোমল বড়ুয়া, আসলাম চৌধুরী, গোলাম আকবর খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফজলুল হক, হারুনুর রশিদ, এম নাজিম উদ্দীন, আবুল হাশেম বক্কর, আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, লুৎফুর রহমান কাজল, ম্যামাসিং, জেরি প্রু চৌধুরী, বেগম নুরে আরা সাফা, ইদ্রিস মিয়া, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, মোস্তফা কামাল, দীপেন দেওয়ান তালুকদার, মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, মোহাম্মদ এনামুল হক, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
এর আগে, দুপুর ১২ টা ২৫ মিনিটের দিকে তারেক রহমান সমাবেশ মঞ্চে পৌঁছান। এ সময় উপস্থিত লাখো নেতাকর্মী তুমুল করতালি ও স্লোগান দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে হোটেল রেডিসনে তরুণদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এসব কর্মসূচিতে যোগ দিতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান তারেক রহমান।
পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ শেষ করে তিনি সরাসরি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। পথে ফেনী, কুমিল্লাা ও নারায়ণগঞ্জে আরও মোট ৫টি সমাবেশে যোগ দেবেন।
তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com